সর্বশেষ

ফরিদপুরে আনোয়ার শেখের হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন

নাজমুল হাসান নিরব,ফরিদপুর প্রতিনিধি- ফরিদপুর সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের গোয়ালেরটিলা গ্রামের আনোয়ার শেখের হত্যাকারীদের বিচারের দা...

Tuesday, August 27, 2019

10:31 AM

ফরিদপুরে আনোয়ার শেখের হত্যাকারীদের বিচারের দাবীতে মানববন্ধন



নাজমুল হাসান নিরব,ফরিদপুর প্রতিনিধি- ফরিদপুর সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের গোয়ালেরটিলা গ্রামের আনোয়ার শেখের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার দুপুরে মমিনখার হাট এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।


 মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন চরমাধবদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড.সরদার আউয়াল হাসান,যুগ্ন-সম্পাদক মোঃ হাতেম শেখ,১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার আঃ মালেক মোল্লা, চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য কেরামত আলী,আইন সহয়তা কেন্দ্র (আসুকের) বিভাগীয় সেক্রেটারী মো.আক্তার হোসেন আকাশ প্রমুখ।

 এসময় নিহত আনোয়ারের মা নুরজ্জাহান,পিতা- জালাল শেখ,স্ত্রী ফরিদা,বোন মাহফুজা,দুই মেয়ে ও এক ছেলেসহ পরিবারের অন্যন্য সদস্যারা কান্নায় ভেঙ্গে পরেন । তারা হত্যার সাথে জড়িত মোঃ মজনু ফকির, মোঃ শাহিন শেখ, ইদ্রিস মন্ডল, ,আলমাস, রবিজুল, সুজন ও কাউসারকে দূরত ফাঁসির দাবি জানান। পরে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের নিকট স্বারক লিপি প্রদান করেন। এই বিষয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল পাশা জানান, এই হত্যার সাথে জড়িতদের সনাক্ত করা হয়েছে । ৪ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বাকি আসামীদের গ্রেফতারে জন্য মামলার আইও কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

উল্লেখ্য গত ২৬/৫/২০১৯ইং নিহত আনোয়ার শেখ নিজ বাড়ি হতে হাট করার উদ্দ্যেশে বের হয় অনেক রাত হওয়ার পর সে বাড়ি ফেরেনি। পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজেও তাকে ঐরাতে পাইনি। পরের দিন ২৭/৫/১৯ইং সকালে ঐ এলাকার গোয়লেরটিলা মিনাজ উদ্দীন মোল্লা পাড়াস্থ রাস্তার পাশে মোতালেব শেখের মেহগনি বাগানে তার জবায় করা মৃত দেহ পরে থাকতে দেখে এলাকাবাসী । এই গঠনায় ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় একটি এজাহার দায়ের করে নিহত আনোয়ারের স্ত্রী ফরিদা বেগম।

Sunday, August 25, 2019

9:47 AM

নাটোরে শ্রমিকলীগের শোক সভা পালিত

আবু মুসা নাটোর থেকেঃ 
নাটোরের বড়াইগ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে শোকসভা পালন করা হয়েছে। রবিবার জাতীয় শ্রমিকলীগ বড়াইগ্রাম উপজেলা শাখা এই কর্মসূচির আয়োজন করে। প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সাংসদ ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস উপস্থিত ছিলেন।
বড়াইগ্রাম থানা মোড় প্রাঙ্গণে জাতীয় শ্রমিকলীগ বড়াইগ্রাম উপজেলা শাখা সভাপতি মোস্তফা ব্যাপারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন জাতীয় শ্রমিকলীগের নাটোর জেলা শাখার সভাপতি মঈনুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, যুগ্ম সম্পাদক মোয়াজেম হোসেন বাবলু, জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য মাজেদুল বারী নয়ন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য মৌটুসী আক্তার মুক্তা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুরাইয়া আক্তার কলি, নগর ইউপি চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াসমিন ডালু, বড়াইগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মমিন আলী প্রমূখ।
অনুষ্ঠান শেষে বঙ্গবন্ধুর ও তার পরিবারের সদস্যদের, ২১ আগষ্ট গ্রেনেট হামলার নিহতদের আত্তার মাগফেরাত, সাংসদ আব্দুল কুদ্দুস ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
8:54 AM

২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস

জাতি আজ স্বাধীনতার ৪৮তম বছরে পদার্পণ করছে, এ বড় আনন্দঘন অনুভূতি। তবে আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস যেমন গৌরবের, তেমনি বেদনারও। অনেক রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা। আজ আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সেই সব জানা-অজানা শহীদকে, যারা তাদের বর্তমানকে বিসর্জন দিয়ে গেছেন এ দেশের ভবিষ্যৎকে সুন্দর করার জন্য। আমরা শ্রদ্ধা জানাই স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধের সব সংগঠক ও মুক্তিযোদ্ধাকে।

মহাকালের বিচারে ৪৭ বছর খুব বড় সময় নয়। তবে এ সময়ের ব্যবধানে কোনো কোনো জাতির অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার নজিরও আছে। আজ আমাদের বিচার-বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন, স্বাধীনতার সাড়ে চার দশকে আমরা কতটা এগিয়েছি, কী ছিল আমাদের লক্ষ্য ও প্রত্যাশা, পূরণ হয়েছে কতটা? কোথায় আমাদের ব্যর্থতা, কী এর কারণ? স্বাধীনতার অন্যতম লক্ষ্য যদি হয় ভৌগোলিকভাবে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র বা ভূখণ্ডের অধিকারী হওয়া, তাহলে তা অর্জিত হয়েছে। তবে শুধু এটুকুই মানুষের প্রত্যাশা ছিল না। পাকিস্তানের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে দেশে একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তিসহ মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা- এ প্রত্যাশাও ছিল ব্যাপকভাবে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের রায় মেনে না নেয়ার পরিপ্রেক্ষিতে যুগপৎ স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের দাবি প্রবল হয়ে ওঠে বাঙালির মধ্যে। তবে স্বাধীনতার পর দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পেলেও তা হোঁচট খেয়েছে বারবার। বজায় থাকেনি এর ধারাবাহিকতা। ফলে আজও প্রাতিষ্ঠানিকতা পায়নি গণতন্ত্র। রাজনীতিতে ঐকমত্যের অভাব ও অসহিষ্ণুতাও এর বড় কারণ। অন্তত জাতীয় ইস্যুগুলোয় সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে ঐক্য থাকা প্রয়োজন হলেও কোনো শাসনামলেই তা দেখা যায়নি। এ ক্ষেত্রে দেশের চেয়ে দলের স্বার্থই হয়ে উঠেছে মুখ্য।
এটা সত্য, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষার প্রসার, নারীর উন্নয়ন, শিশুমৃত্যুর হার কমানো ইত্যাদি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য রয়েছে আমাদের। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে শামিল হতে যাচ্ছে দেশ। জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিলেও এর উত্থান ঠেকিয়ে রাখা গেছে। এর মূল কৃতিত্বের দাবিদার জনগণ। এ দেশের মানুষ ধর্মের নামে সহিংসতা সমর্থন করে না। তা সত্ত্বেও এ ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে; গড়ে তুলতে হবে রাজনৈতিক ঐকমত্য। সরকারকে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রশ্নে হতে হবে অঙ্গীকারবদ্ধ। স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তুলতে সব বিভেদ ভুলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। সেই ঐক্যের ভিত্তিতে বিদ্যমান সমস্যাগুলো আমরা দ্রুত কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হব- এ প্রত্যাশা সবার।
বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সহায়তা করে আসছে সন্দেহ নেই। তারপরও বহু মুক্তিযোদ্ধা অসহায় ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সেসব অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধার প্রতি দৃষ্টি দেয়া আমাদের সবার কর্তব্য। মুক্তিযুদ্ধে যেসব বিদেশি নাগরিক ও সংগঠন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, ইতিপূর্বে তাদের পর্যায়ক্রমে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মাননা জানানো হয়েছে। এটি একটি ভালো উদ্যোগ সন্দেহ নেই। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তালিকা অনুযায়ী সম্মাননাপ্রাপ্তের সংখ্যা পাঁচ শতাধিক। এ তালিকার বাইরেও রয়ে গেছেন মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাকারী অনেক বিদেশি বন্ধু। আমরা আশা করব, পরবর্তী সময়ে তাদেরও রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত করা হবে।
স্বাধীনতা দিবসে আমাদের পাঠক, শুভানুধ্যায়ীসহ গোটা দেশবাসীর প্রতি রইল শুভেচ্ছা।